সত্যবাদিতার গুরুত্ব

ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী (সা.) বলেছেন, নিশ্চয় সত্য পুণ্যের পথ দেখায় এবং পুণ্য জান্নাতের দিকে নিয়ে যায়। একজন মানুষ (অবিরত) সত্য বলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত আল্লাহর কাছে তাকে খুব সত্যবাদী বলে লিখা হয়। পক্ষান্তরে মিথ্যা পাপের পথ দেখায় এবং পাপ জাহান্নামের দিকে নিয়ে যায়। একজন মানুষ (সর্বদা) মিথ্যা বলতে থাকে, শেষ অবধি আল্লাহর নিকটে তাকে মহা মিথ্যাবাদী বলে লিপিবদ্ধ করা হয়। (বুখারী ও মুসলিম)
অন্য আরো একটি হাদিসে এসেছে, আবূ মুহাম্মাদ হাসান ইবনে আলী ইবনে আবী ত্বালেব (রা.) বলেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) থেকে এই শব্দগুলি স্মরণ রেখেছি যে, তুমি ঐ জিনিস পরিত্যাগ কর, যে জিনিস তোমাকে সন্দেহে ফেলে এবং তা গ্রহণ কর যাতে তোমার সন্দেহ নেই। কেননা, সত্য প্রশান্তির কারণ এবং মিথ্যা সন্দেহের কারণ। (তিরমিযি)
অরো একটি হাদিসে এসেছে, আবূ সুফিয়ান সাখর ইবনে হারব (রা.) একটি দীর্ঘ হাদীস বর্ণনা করেন যাতে (রোমের বাদশাহ) হিরাক্লিয়াসের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। হিরাক্লিয়াস আবূ সুফিয়ানকে জিজ্ঞাসা করলেন (তখন তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেননি) ‘তিনি—অর্থাৎ নবী (সা.) তোমাদেরকে কোন্ কাজের আদেশ করছেন?’ আবূ সুফিয়ান বলেন, আমি বললাম, তিনি বলছেন যে, তোমরা মাত্র এক আল্লাহর উপাসনা কর, তাঁর সাথে কাউকে অংশীদার করো না এবং ঐসব কথা পরিহার কর, যা তোমাদের বাপ-দাদারা বলত (এবং করত)। আর তিনি আমাদেরকে নামায পড়া, সত্য কথা বলা, চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা করা এবং আত্মীয়তার বন্ধন অটুট রাখার আদেশ দেন। (বুখারী ও মুসলিম)

  •  
শেয়ার করুন