বিশ্বনাথে গাছকাটা ও চাঁদাদাবি মামলায় চুড়ান্ত প্রতিবেদন, নারাজি বাদির

সিলেটের বিশ্বনাথের ভল্লবপুর গ্রামে প্রবাসীর বাড়ি থেকে জোরপূর্বক গাছ কেটে নেওয়া ও এক লাখ টাকা চাঁদা দাবির মামলায় চুড়ান্ত রিপোর্ট দিয়েছে পুলিশ। মামলা গ্রহণের এক মাসের মাথায় তড়িঘড়ি ফাইলাল রিপোর্ট প্রদান করায় নারাজি দিচ্ছেন বাদি সাইফুর রহমান। তিনি মামলার তদন্ত কার্যক্রম পক্ষপাতমূলক বলে দাবি করেছেন।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, মামলার বাদী সাইফুর রহমান ও শরিকানগণের মৌখিক অনুমতি সাপেক্ষে বিশ্বনাথ থানার চাদ্দভরাং মৌজার জেএল নং ১০৩, দাগ নং-৩৬২০ ও ৩৬১৯ দাগের ভূমি তাদের মা তুলাই বিবি উরফে ফুল বিবি ২০০২ সালে বাদী ও তার চার ভাইয়ের অর্থায়নে ফুরকানিয়া মাদ্রাসার পাকা দালানের কাজ শুরু করেন। পারিবারিকভাবে সিদ্ধান্ত হয় মসজিদ এবং মাদ্রাসায় বাদীসহ তার ভাই খালিছুর রহমান, আওলাদুর রহমান, হাবিবুর রহমান ও খলিলুর রহমান প্রত্যেকে প্রতি বছর একটি নির্দ্দিষ্ট অংকের টাকা অনুদান দেবেন।
২০০৫ সাল পর্যন্ত ভাইয়েরা টাকা দিলে পরবর্তীতে আর অনুদান দেন নি। ফলে সাইফুর রহমান নিজ তহবিল থেকে মসজিদ ও মাদ্রাসার উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। মসজিদ ও মাদ্রাসার আয় বাড়াতে ৩৬১৮, ৩৬১৯, ৩৬২০, দাগে সাইফুর রহমান ফিসারী, ফলজ ও বনজ গাছের বাগান তৈরী করেন। আর এ ভূমি দখলের চেষ্টা করেন বিবাদিরা। এতে গ্রামবাসী বাঁধা দিলেও তা উপেক্ষা করে গত ৩ জানুয়ারি বাদীর লাগানো বাগানের বড় সাইজের ২টি রেন্ট্রি গাছ ও ৫টি ফলজ গাছসহ ৭০ হাজাট টাকার গাছ কেটে নেয়।

খবর পেয়ে সাইফুর রহমান দেশে ফিরে ২৪ জানুয়ারি গাছ কাটার কারণ জানতে চাইলে বিবাদীরা ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করতে চাইলে না নেওয়ায় আদালতে মামলা করেন তিনি। পরে আদালতের নির্দেশে মামলা রেকর্ড করে বিশ্বনাথ থানা পুলিশ। মামলা রেকর্ড করে কোনো ধরনের তদন্ত না করেই এক মাসের মাথায় তড়িঘড়ি করে ফাইনাল রিপোর্ট দেয় পুলিশ। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাদি আদালতে নারাজি দিচ্ছেন বলে জানিয়েছেন।

  •  
শেয়ার করুন