
জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর কারিনা কাইসার আর নেই। ভারতের চেন্নাইয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর মৃত্যুর খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমজুড়ে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
বুধবার (১৬ মে) রাতে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে ঘনিষ্ঠ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করে।
জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন কারিনা কাইসার। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ভারতের চেন্নাইয়ে নেওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
কারিনা কাইসার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমভিত্তিক কনটেন্ট নির্মাণের মাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। লাইফস্টাইল, ব্যক্তিজীবন, সচেতনতামূলক ভিডিও এবং ইতিবাচক বার্তার কারণে তরুণদের কাছে তিনি ছিলেন পরিচিত ও প্রিয় মুখ।
তার স্বাভাবিক উপস্থাপনা ও প্রাণবন্ত উপস্থিতি অল্প সময়েই তাকে বড় একটি অনুসারী গোষ্ঠী এনে দেয়।
তার মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর ফেসবুকে অনেকেই আবেগঘন স্ট্যাটাস দিতে শুরু করেন। কেউ পুরোনো ছবি শেয়ার করছেন, কেউ আবার তার ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করে স্মৃতিচারণ করছেন।
একজন ভক্ত লিখেছেন,
“বিশ্বাসই হচ্ছে না কারিনা আপু আর নেই।”
আরেকজন লেখেন,
“বাংলাদেশের কনটেন্ট জগতে বড় শূন্যতা তৈরি হলো।”
বিভিন্ন কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অনলাইন ব্যক্তিত্বও তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তারা কারিনা কাইসারকে ইতিবাচক ও অনুপ্রেরণাদায়ী একজন মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে পরিবার বা নিকট আত্মীয়দের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানা গেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে কনটেন্ট ক্রিয়েটররা শুধু বিনোদন নয়, সামাজিক প্রভাবও তৈরি করেন। ফলে জনপ্রিয় কোনো অনলাইন ব্যক্তিত্বের মৃত্যু তরুণদের মধ্যে গভীর আবেগীয় প্রতিক্রিয়া তৈরি করে।
কারিনা কাইসারের মৃত্যুতে বাংলাদেশের ডিজিটাল কনটেন্ট অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।